অনুসন্ধান করুন
এই অনুসন্ধান বাক্সটি বন্ধ করুন।

সংস্কৃতি

হংকংয়ের কনসার্টগুলোতে বিদেশি কনসার্টের মতো আবহ কেন থাকে না?

আপনি ঠিকই পড়েছেন! হংকংয়ের কনসার্টগুলো 'সঙ্গীতের মহোৎসব' থেকে 'ব্যাপক প্রতারণায়' পরিণত হয়েছে। আপনি হাজার হাজার ডলার খরচ করে, চার কোণাওয়ালা মঞ্চের পেছনে দাঁড়িয়ে, দুই-তিন ঘণ্টা ধরে তথাকথিত গায়কদের গান শোনেন, আর শেষে শুধু তাদের গোঙাতে শোনেন, "আজ আমার শরীরটা খুব খারাপ~" এবং তারপর বেসুরে গেয়ে বলেন, "আমি আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি~"। সবচেয়ে জঘন্য ব্যাপার হলো: কিছু "গায়ক" নির্লজ্জভাবে লিপ-সিঙ্ক করে, পুরোপুরি বেসুরে গায়, এবং তারপরেও এমন ভান করে যেন তারা এটা উপভোগ করছে; নর্তক-নর্তকীরা...

নিষিদ্ধতা + রহস্য = পুরুষের "কামোদ্দীপক"

বিজ্ঞান বলে: একজন পুরুষের লিঙ্গ তার স্ত্রীর কাছে নরম হয়ে যেতে পারে, কিন্তু নতুন কোনো নারীর কাছে গেলেই তা সঙ্গে সঙ্গে উত্থিত হয়ে ওঠে। এর কারণ এই নয় যে তার স্ত্রী সুন্দরী নন, বরং এর কারণ হলো ‘নিষেধাজ্ঞা’ এবং ‘রহস্য’ উধাও হয়ে যায়। নিষেধাজ্ঞা—‘অনুমতি না দেওয়া’র ফলে ‘চাওয়ার’ জন্ম হয়; রহস্য—‘না বোঝা’র ফলে ‘অন্বেষণের ইচ্ছা’ জন্মায়। একজন স্ত্রী কেন ‘সমস্ত নিষেধাজ্ঞা ও রহস্য হারিয়ে ফেলেন’? কীভাবে ‘নিষেধাজ্ঞা পুনরায় তৈরি করা যায় এবং...’

লাওস ও সিঙ্গাপুরের নারীদের যৌন রীতির একটি বিশদ তুলনা।

একটা হলো ছুটির মতো, অন্যটা কারাগারে থাকার মতো: ট্র্যাফিক লাইট শুধু দিকনির্দেশনার জন্য। একটা মোটরসাইকেলে একটা পরিবার, দুটো মুরগি আর একটা তোশক বহন করা যায়। ট্র্যাফিকের নিয়মকানুনকে বলা হয় "তুমি নিজেই বুঝে নাও"। সময় একটা বিভ্রম। বিকেল ৩টা বা ৫টার দিকে পৌঁছানোকেই সময়মতো পৌঁছানো বলে মনে করা হয়। স্থানীয়দের মধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত বাক্যটি হলো "সময় নাও" (বোর পেন...)।

লাওস ও মিয়ানমারের নারীদের যৌন শৈলীর একটি বিশদ তুলনা।

লাওস: লাওস দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একমাত্র স্থলবেষ্টিত দেশ, সহজ কথায়, "কোনো সমুদ্র নেই, আছে শুধু একাকীত্ব।" যখন অন্যান্য দেশগুলো সৈকতে এবং বিকিনি পরে রোদ পোহাচ্ছে, লাওস তখন কেবল ধানের ক্ষেত শুকাতে আর মেকং নদী থেকে মাছ ধরতে পারে। এখানে কোনো পাতাল রেল নেই, কোনো উড়াল সড়ক নেই, এমনকি ট্র্যাফিক লাইটও বিরল—কারণ গাড়ির সংখ্যা এত কম যে, আপনি চোখ দিয়েই রাস্তা পার হতে পারবেন! মিয়ানমার: ...

তালিকা তুলনা করুন

তুলনা করুন